×
×
Friday, 30 October, 2026, 12:03 pm


বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৪.৩২ বিলিয়ন ডলার

দেশের মোট বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ বেড়ে ৩৪ হাজার ৩২৪ দশমিক ১২ মিলিয়ন (৩৪.৩২ বিলিয়ন) ডলারে পৌঁছেছে। মঙ্গলবার বাংলাদেশ ব্যাংকের নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র আরিফ হোসেন খান এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।

কেন্দ্রীয় ব্যাংকের সর্বশেষ প্রতিবেদন অনুযায়ী, ১৯ মে পর্যন্ত দেশের গ্রস (মোট) রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ৩৪ হাজার ৩২৪ দশমিক ১২ মিলিয়ন ডলার। অপরদিকে, আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২৯ হাজার ৬৬৫ দশমিক ৪৬ মিলিয়ন ডলার।

এর আগে ১৪ মে পর্যন্ত গ্রস রিজার্ভ ছিল ৩৪ হাজার ৩১৬ দশমিক ২৮ মিলিয়ন ডলার। আর বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে রিজার্ভের পরিমাণ ছিল ২৯ হাজার ৬৫৩ দশমিক ৮১ মিলিয়ন ডলার। অর্থাৎ এক সপ্তাহের ব্যবধানে গ্রস রিজার্ভ বেড়েছে ৭ দশমিক ৮৪ মিলিয়ন ডলার, আর বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে বেড়েছে ১১ দশমিক ৬৫ মিলিয়ন ডলার।

নিট ও গ্রস রিজার্ভের পার্থক্য কী?

বাংলাদেশ ব্যাংকের প্রকাশিত তথ্যে দুটি রিজার্ভের হিসাব দেখা যায় একটি গ্রস রিজার্ভ, অন্যটি নিট রিজার্ভ। নিট বা প্রকৃত রিজার্ভ গণনা করা হয় আইএমএফের বিপিএম-৬ পদ্ধতিতে। এই পদ্ধতিতে মোট রিজার্ভ থেকে স্বল্পমেয়াদি বৈদেশিক দায় বিয়োগ করা হয়। ফলে নিট রিজার্ভ সাধারণত গ্রস রিজার্ভের চেয়ে কম হয়।

গ্রস রিজার্ভ বলতে কেন্দ্রীয় ব্যাংকের কাছে মোট বৈদেশিক মুদ্রার মজুত বোঝায়। অন্যদিকে নিট রিজার্ভ হচ্ছে প্রকৃত সক্ষমতা, যা দিয়ে জরুরি প্রয়োজনে আমদানি ব্যয় মেটানো যায়।

রিজার্ভ বৃদ্ধির কারণ কী?

বিশেষজ্ঞদের মতে, সাম্প্রতিক সময়ে রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়া, রপ্তানি আয় বৃদ্ধি এবং আমদানি ব্যয় কিছুটা নিয়ন্ত্রণে আসার ফলে রিজার্ভের ওপর চাপ কমেছে। এছাড়া বিভিন্ন আন্তর্জাতিক সংস্থার ঋণের instalment ও সহায়তাও রিজার্ভে ভূমিকা রেখেছে।

তবে নিট রিজার্ভ ৩০ বিলিয়ন ডলারের নিচে থাকায় অর্থনীতিবিদরা সতর্ক থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। বাংলাদেশ ব্যাংক আশ্বস্ত করে বলেছে, বর্তমান রিজার্ভ দেশের প্রায় চার মাসের আমদানি ব্যয় মেটানোর জন্য যথেষ্ট।

[atn_photocard]
আরও