×
×
Thursday, 30 July, 2026, 3:30 pm


পবিত্র রমজানে ক্ষুধার্তকে অন্নদান

পবিত্র রমজান মাসে গরিব-দুঃখীদের মাঝে খাদ্য বিতরণ একটি অন্যরকম দান, যার মাধ্যমে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জন করা যায়। এটি শুধু একটি সামাজিক কাজ নয়; বরং এটি ইমানের দাবি এবং কোরআনের নির্দেশ।

মহান আল্লাহ পবিত্র কোরআনে ইরশাদ করেন:
“অতঃপর সে দুর্গম পথ অতিক্রম করেনি। আপনি জানেন, দুর্গম পথ কী? তা হলো দাসমুক্তি অথবা অভাবের দিনে অন্নদান করা।”
(সূরা আল-বালাদ, আয়াত: ১১-১৪)

এই আয়াত আমাদের স্পষ্ট ভাষায় জানিয়ে দেয়, মানবতার জন্য সবচেয়ে বড় সফলতা ও আল্লাহর নৈকট্য লাভের শ্রেষ্ঠ পথ হলো অভাবগ্রস্ত মানুষের পাশে দাঁড়ানো, তাদের ক্ষুধা নিবারণ করা।

ঠিক সেই ধারাবাহিকতা ও কোরআনি নির্দেশনা বাস্তবায়নের প্রত্যাশায়, ওয়াহিদুজ্জামান বাবু তার নিজ উদ্যোগে ও ঘরোয়া আয়োজনে গরিব-দুঃখীদের মাঝে মোরগ পোলাও বিতরণ করেছেন। এটি নিঃসন্দেহে একটি প্রশংসনীয় ও মহৎ উদ্যোগ। এর মাধ্যমে তিনি শুধু কারও পেট ভরাননি বরং একটি দুর্গম পথ অতিক্রম করে আল্লাহর সন্তুষ্টি অর্জনের চেষ্টা করেছেন।

যদি আমরা প্রত্যেকে আমাদের নিজ নিজ অবস্থান থেকে, নিজ নিজ সামর্থ্য অনুযায়ী এমন ছোট ছোট আয়োজন করতে পারি— কেউ ইফতার বিতরণ করবে, কেউ রান্না করা খাবার পৌঁছে দেবে, কেউ বা শুকনো খাদ্যসামগ্রী তুলে দেবে— তাহলে এটি সমগ্র সমাজের জন্য বিরাট কল্যাণ বয়ে আনবে। এটি সমাজ থেকে বৈষম্য দূর করবে, ভ্রাতৃত্ববোধ জাগ্রত করবে এবং ধনী-দরিদ্রের মধ্যে ব্যবধান কমিয়ে আনবে।

আল্লাহ তায়ালা বলেন:
“তোমরা যতক্ষণ পর্যন্ত নিজেরা যা পছন্দ কর, তা অন্যকে দান না করবে, ততক্ষণ পর্যন্ত কখনো পুণ্য লাভ করতে পারবে না।”
(সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ৯২)

ওয়াহিদুজ্জামান বাবুর এই আয়োজন আমাদের সকলের জন্য একটি অনুকরণীয় দৃষ্টান্ত। তার এই মানবিক উদ্যোগ যেন সমাজের বিত্তবান প্রতিটি মানুষের জন্য অনুপ্রেরণা হয়ে কাজ করে। আসুন, আমরা সবাই কোরআনের এই শিক্ষাকে হৃদয়ে ধারণ করি এবং রমজানের এই বরকতময় পরিবেশে গরিব-দুঃখীদের পাশে দাঁড়াই।

মহান আল্লাহ ওয়াহিদুজ্জামান বাবু ও তার পরিবারকে উত্তম প্রতিদান দান করুন এবং তার এই মহৎ উদ্যোগকে কবুল করুন।

আরও